ধাপে ধাপে নেদারল্যান্ডসে উচ্চশিক্ষা

সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
নেদারল্যান্ডস উত্তর – পশ্চিম ইউরোপের ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ, যার আরেক নাম হল্যান্ড। এর রাজধানী আমস্টারডাম। প্রধান জাতীয় ভাষা ডাচ। এছাড়া ইংরেজি, ফ্রিশিয়ান ও পাপিয়ামেন্টু ভাষারও প্রচলিত আছে। দেশটির আয়তন ৪১,৫৪৩ বর্গ কিঃমিঃ এবং জনসংখ্যা ১৭,১০০,৪৭৫ । জিডিপি (পিপিপি) ৫৩,১৩৯ ইউএস ডলার যা বিশ্বে ১৩তম সর্বোচ্চ। দেশটির মুদ্রা ইউরো। নেদারল্যান্ডস ইউরোপের সেঞ্জেনভুক্ত একটি দেশ।
নেদারল্যান্ডস, উত্তর-পশ্চিমে ইউরোপের একটি দেশ, তার সমতল ভূমি, খাল, টুলিপ ক্ষেত্র, বাতাস এবং সাইক্লিং রুটগুলির জন্য পরিচিত। একটি দেশ যা জীবন ধারণ এবং অধ্যয়ন করার জন্য বিশ্বের তৃতীয় সেরা দেশ হিসাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। দেশটি সর্বনিম্ন অপরাধের হারের জন্যও জনপ্রিয়। সম্প্রতি তাদের তিনটি কারাগার বন্ধ করা হয়েছে কারণ কারাগারে কোন বন্দি কয়েদী ছিল না! এ ছাড়াও, ডাচ জনসংখ্যার প্রায় ৯৫% মানুষ ইংরেজিতে কথা বলে। প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রধান ভাষা হিসেবে ইংরেজি ব্যবহার করে। সুতরাং, আন্তর্জাতিক ছাত্রদের জন্য দেশটি বেশ জনপ্রিয় স্থান হয়ে উঠেছে।
ডাচ শিক্ষা ব্যবস্থা ও মানঃ
ডাচ শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই উন্নত ও গবেষণাকেন্দ্রিক। এখানে অনেক বিষয় রয়েছে যেগুলো থেকে আপনি বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বিষয়। বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো বিশ্ব রেঙ্কিংয়ে অনেক এগিয়ে। এখানে ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি ও বিভিন্ন শর্ট কোর্স অফার করে থাকে। ব্যাচেলর কোর্স (৩-৪ বছর মেয়াদী), মাস্টার্স কোর্স (১-২ বছর মেয়াদী), পিএইচডি/ডক্টোরাল কোর্সগুলো ৩-৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। বেশিরভাগ ব্যাচেলর কোর্স ডাচ ভাষায় পড়ানো হয়, তবে মাস্টার্স ও ডক্টোরাল প্রোগ্রামগুলোতে যথেষ্ট ইংরেজি মাধ্যম রয়েছে। ব্যাচেলর লেভেলেও ইংরেজি মাধ্যমের কোর্স রয়েছে।
কিছু বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ঃ

বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সময়, যোগ্যতা ও প্রক্রিয়াঃ

ডাচ ইউনিভার্সিটিগুলোতে বছরে ২ বার আবেদন করা যায় অর্থাৎ ২ টি সেশন। একটি উইন্টার যার আবেদনের সময় সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর/জানুয়ারী এবং সামার যার আবেদনের সময় ফেব্রুয়ারী-জুলাই/আগস্ট পর্যন্ত।
ব্যাচেলরে আবেদন সংক্রান্ত তথ্যঃ
ভাষা প্রয়োজনীয়তা: আপনাকে ইংরেজিতে ভাল করে পড়া, লেখা, শুনা ও বলার যথেষ্ট যোগ্যতা থাকতে হবে। সেজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ইংরেজি ভাষা পরীক্ষায় পাস করতে হবে। আইইএলটিএস এবং টোওএফএল সাধারণত গৃহীত হয়, তবে প্রতিষ্ঠানগুলি অন্যান্য পরীক্ষার পাশাপাশি ক্যামব্রিজ ইংরেজী মতই গ্রহণ করতে পারে। প্রয়োজনীয় স্কোর TOEFL- এর জন্য কমপক্ষে ৫৫০ (কাগজ ভিত্তিক) বা ২১৩ (কম্পিউটার ভিত্তিক)। আইইএলটিএস এর জন্য কমপক্ষে ৬ স্কোর প্রয়োজন।
প্রস্তুতিমূলক বা ফাউন্ডেশন কোর্সঃ কখনও কখনও আপনি আপনার পছন্দ প্রোগ্রামের জন্য যোগ্য নাও হতে পারেন, কিন্তু একটু অতিরিক্ত প্রস্তুতি নিলে আপনি আপনার মূল কোর্সে ভর্তি হতে পারেন! সেক্ষেত্রে আপনার পছন্দের ডাচ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আপনাকে স্বীকৃত শর্তাধীন চিঠি প্রদান করতে পারে। ডাচ ইমিগ্রেশন আইন তখন আপনাকে আপনার শিক্ষার প্রস্তুতিমূলক কোর্স অনুসরণ করার জন্য একাডেমিক সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য নেদারল্যান্ডে আসতে এবং প্রতিষ্ঠান দ্বারা নির্ধারিত পরীক্ষায় পাস করতে দেয়। আপনি পরীক্ষার পাশ করার পরে, আপনার শর্তসাপেক্ষ অফার লেটার একটি কোর্সের মূল অফার লেটারে রূপান্তরিত হবে। ডাচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হওয়ার আগে ‘একটি প্রস্তুতিমূলক বছর’ কোর্সের সুযোগ দেয়।
টিউশন ফিঃ ব্যাচেলর স্টাডির জন্য টিউশন ফি বছরে ৬০০০ থেকে ১৫০০০ ইউরো লাগতে পারে। তাই ভাল হয় স্কলারশিপ নিয়ে পড়া বা শুধু মাস্টার জন্য আসা কারণ তা না হলে একটি চার বছর ব্যাচেলর শেষ করা এবং নিজের খরচ চালানো আপনার জন্য খুব কঠিন হবে। ব্যাচেলর এর অধ্যয়ন এর জন্য শুধুমাত্র কিছু বৃত্তির সুযোগ আছে।
বেশিরভাগ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে আবেদন করার জন্য প্রথমে এই লঙ্কে নিবন্ধন করতে হয়ঃ https://www.studyinholland.nl/study-options/how-to-apply/application-via-studielink
  • আইইএলটিএস এ ৬.০ থাকলে মূল কোর্সে (ফাউন্ডেশন কোর্স ছাড়াই) কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।
  • আইইএলটিএস এ ৫.০ থাকলে ১২ মাসের ফাউন্ডেশন কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।
  • আইইএলটিএস এ ৫.৫ থাকলে ৬ মাসের ফাউন্ডেশন কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।



স্কলারশিপঃ স্কলারশিপের জন্য এই লিঙ্ক যান https://www.studyinholland.nl/scholarships/find-a-scholarship
মাস্টার্স বা প্রি-মাস্টার্স এর জন্য আবেদনঃ
অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন আবেদন পদ্ধতি অনুসরণ করে। মাস্টার্স এ আবেদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টগুলো হল ব্যাচেলর ফলাফল, সিভি, আইইএলটিএস স্কোর (সর্বনিম্ন ৬.৫), জিএমএট স্কোর (বিষয়ের উপর নির্ভর করে), প্রেরণা পত্র (মোটিভেশন লেটার), সুপারিশপত্র (রিকমেন্ডেশন লেটার), ব্যাচেলর থিসিস বা ইন্টার্নশীপ রিপোর্ট। এই কাগজপত্রগুলো পর্যালোচনা করার পরে যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মনে হয় যে, আপনার মাস্টার্স প্রোগ্রামে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা রয়েছে তবে আপনি সরাসরি এই প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন। আর যদি কিছুটা ঘাটতি থাকে তাহলে তাঁরা আপনাকে একটি ১ বছর বা ৬ মাসের প্রি-মাস্টার্স কোর্স করানোর প্রয়োজনীয়তা মনে করতে পারে এবং আপনাকে সেটার জন্য অফার করতে পারে, যা সাধারণত এক বছর বা ছয় মাস লাগে। একটি প্রি মাস্টার প্রোগ্রাম সফলভাবে সমাপ্ত করার পরে, আপনার পছন্দসই মাস্টার প্রোগ্রামে সরাসরি অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
বেশিরভাগ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে আবেদন করার জন্য প্রথমে এই লঙ্কে নিবন্ধন করতে হয়ঃ https://www.studyinholland.nl/study-options/how-to-apply/application-via-studielink
রিসার্চ মাস্টারের জন্য আবেদনঃ
একটি গবেষণা মাস্টার প্রোগ্রামের জন্য একই অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজ অনুসরণ করা যেতে পারে। রিসার্চ ডিগ্রি মাস্টার একটি নির্দিষ্ট একাডেমিক শৃঙ্খলা, একটি উন্নত স্নাতকোত্তর গবেষণা ডিগ্রী হয়। এই প্রোগ্রামটি অধ্যয়ন করার সুবিধা হল যে আপনার পিএইচডি প্রার্থী হিসাবে গ্রহণ করার জন্য উচ্চতর সুযোগ রয়েছে। প্রোগ্রামটি ব্যাপক বৈজ্ঞানিক গবেষণা ভিত্তিক হয়। এই প্রোগ্রাম শেষ করার জন্য সাধারণত দুই বছর সময় নেয়, তবে, গবেষণা মাস্টার শেষ করার পরে এটি শুধুমাত্র পিএইচডি সম্পূর্ণ করতে তিন বছর সময় লাগে। এই প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া খুব প্রতিযোগিতামূলক। বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে প্রার্থীকে প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে বা কমপক্ষে বৈজ্ঞানিক গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণ করে কিছু নিবন্ধ লেখা থাকতে হবে। হল্যান্ডের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ মাস্টার্স বা রিসার্চ এসিস্টেনশিপ এর প্রচুর ফুল স্কলারশিপের সুযোগ রয়েছে।
বেশিরভাগ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে আবেদন করার জন্য প্রথমে এই লঙ্কে নিবন্ধন করতে হয়ঃ https://www.studyinholland.nl/study-options/how-to-apply/application-via-studielink



পোস্ট ডক্টরেটঃ
হল্যান্ডে ডক্টরেট শিক্ষার্থীদের জন্য প্রচুর সুবিধা রয়েছে। একটি পিএইচডি প্রার্থী বেতনভোগী কর্মী হিসেবে একটি ওয়ার্ক পারমিট পায়। যেখানে বেতন প্রতি মাসে ১৫০০ – ২০০০ ইউরো হয়ে থাকে। যেহেতু শিক্ষার্থীকে কোনো টিউশন ফি প্রদান করতে হয় না তাই এটি দিয়ে নিজের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা সহজ। হল্যান্ডে, একজন পিএইচডি শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক (প্রভাষক) হিসেবে কাজ করতে হবে, যার ফলে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন হওয়ার পরে একজন লেকচারার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার একটি উচ্চ সুযোগ রয়েছে। যাইহোক, আপনাকে বাংলাদেশ থেকে পিএইচডিতে সরাসরি ভর্তির জন্য অত্যন্ত প্রতিভাবান হতে হবে এবং কয়েকটি গবেষণা আর্টিকেল লিখিত এবং প্রকাশিত হতে হবে।
বেশিরভাগ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে আবেদন করার জন্য প্রথমে এই লঙ্কে নিবন্ধন করতে হয়ঃ https://www.studyinholland.nl/study-options/how-to-apply/application-via-studielink
টিউশন ফি ও স্কলারশিপঃ
মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য টিউশন ফি বছরে ৮,০০০ – ২০,০০০ ইউরো। হল্যান্ডে নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক স্কলারশিপ রয়েছে যেগুলি তারা স্নাতক পর্যায়ে ভাল ফলাফল ও GMAT (এটি প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করে) এর উপর ভিত্তি করে প্রদান করে। পাশাপাশি ইরাসমাস ও নফিক স্কলারশিপের মতো ডাচ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কিছু স্কলারশিপ রয়েছে।
এখানে স্কলারশিপের পূর্ণ তালিকাhttps://www.studyinholland.nl/scholarships/highlighted-scolarships
আপনার পছন্দের কোর্স খুঁজুনঃ https://www.studyfinder.nl/
এমভিভি, রেসিডেন্স পারমিট/ভিসা এবং বসবাসের খরচঃ
মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ই আপনার হয়ে আপনার রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করবে। আপনাকে যা করতে হবে তা হল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশাবলী অনুসরণ করা। আপনার খরচ বাবদ আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাঙ্ক একাউন্টে ১০০০০ ইউরো স্থানান্তর করতে হবে এবং দেখাতে হবে। যাইহোক, হল্যান্ডে বাস করার জন্য এক বছরে এত খরচ হয় না। একটি ছাত্র শেয়ার ফ্ল্যাটে প্রতি মাসে ভাড়া ২৬০ – ৩৫০ ইউরো । আপনি যদি নিজে বাড়িতে রান্না করতে পারেন তাহলে আপনার মাসে খাওয়া বাবদ ৩০০ ইউরোর চেয়ে বেশি খরচ হবে না। আপনাকে একটি স্বাস্থ্য বীমা করতে হবে যার পরিমাণ বছরে প্রায় ৪৮০ ইউরোর মত।
স্পাউস ভিসা সম্পর্কে জানতে, এখানে যানঃ https://ind.nl/en/family/Pages/Spouse-or-partner.aspx



পড়াশোনাকালীন কাজের সুবিধাঃ

একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টা কাজের অনুমতি পাবেন। হল্যান্ডে পার্ট টাইম জব পাওয়া বেশ কঠিন। অধিকাংশ কাজ রেস্টুরেন্ট মধ্যে। ভাষা একটি সমস্যা। যে কোন কাজের জন্য আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। কাজ করে পড়াশোনা ও নিজের খরচ বহন করা সম্ভব নয়। এছাড়া যদি আপনি আপনার পড়াশোনা পরিচালনা করতে না পারেন এবং ব্যর্থ হন, তাহলে আপনার রেসিডেন্স পারমিটটি হারানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

পড়াশোনা শেষে কাজের সুবিধাঃ

একটি চাকরি খোঁজার জন্য পড়াশোনা শেষ করার পর হল্যান্ড আপনাকে এক বছরের ভিসা দিবে। যদি আপনি আইটি, প্রকৌশল এবং প্রযুক্তিগত সংক্রান্ত কোন বিষয়ে পড়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে ডাচ ভাষা জানতে হবে না এবং হল্যান্ডের আইটি লোকেদের জন্য বিপুল চাহিদা রয়েছে। যারা অন্যান্য বিষয় অধ্যয়ন করছেন তাদের জন্য ভাষা জানা না থাকলে কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে পড়াশোনা করা অবস্থায় ভাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা, বিভিন্ন এক্সট্রা কারিকুলার কাজে যোগদান করা, হল্যান্ডের সংস্কৃতি ও লোকদের সম্পর্কে ভাল ধারণা নেওয়া।

স্থায়ী বসবাস সংক্রান্ত তথ্যঃ

আপনি একটানা ৫ বছর বৈধভাবে নেদারল্যান্ডস এ থাকার পর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই ৫ বছরের মধ্যে একটানা ৬ মাস বা তার বেশি সময় এবং ৩ বছরের মধ্যে ৪ মাস বা তার বেশি সময় নেদারল্যান্ডস এর বাইরে থাকলে আবেদনকারী অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। আর একটানা ৮ বছর থাকার পর ডাচ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে যদি পড়াশোনার জন্য (স্টুডেন্ট ভিসা) ৫ বছর থাকেন তাহলে সেখান থেকে অর্ধেক সময় (২.৫ বছর) ধরা হবে। সহজ ভাষায় বলি, আপনার শিক্ষা সময়কালের অর্ধেক সময় ধরা হবে।
গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্কঃ
উচ্চশিক্ষা বিষয়ক পোর্টালঃ https://www.studyinholland.nl/
ডাচ এমব্যাসি বাংলাদেশঃ http://www.netherlandsembassydhaka.org/
ফেসবুক মন্তব্য
Print Friendly, PDF & Email

Mahedi Hasan

Founder at BSCE
স্বপ্নবাজ ও ভ্রমণপিপাসু একজন মানুষ। নতুন কিছু জানতে ও শিখতে ভালো লাগে। নিজে যা জানি তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি।

আমার সম্পর্কেঃ http://www.hmahedi.com
Mahedi Hasan
 
শেয়ার করুনঃ

Mahedi Hasan

স্বপ্নবাজ ও ভ্রমণপিপাসু একজন মানুষ। নতুন কিছু জানতে ও শিখতে ভালো লাগে। নিজে যা জানি তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। আমার সম্পর্কেঃ http://www.hmahedi.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *