ইংরেজি ভাষা দক্ষতা নির্ণয়ের মাপকাঠি (IELTS,TOEFL,TOEIC, PTE, BULATS, ESOL to CEFR)

একটা সময় ছিল যখন নিজ দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা ছিল অনেকটা দিবাস্বপ্নের মত। দিবাস্বপ্ন এজন্য বলছি কারণ সেটার জন্য অনেক বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করতে হত, দরকার হত অনেক টাকা-পয়সার। আবার অনেকে ভাবতো তুখোড় মেধাবী না হলে বিদেশে পড়তে যাওয়া যায় না। বিদ্যাসাগরের মত জ্ঞানতো তার থাকতেই হবে। ইতিহাস, পাতিহাঁস, ভূগোল, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব সব বিষয়ে তার জানতেই হবে। সময় বদলেছে, এখন আর মানুষ এইভাবে চিন্তা করে না, স্টুডেন্ট রা হয়েছে অনেক স্মার্ট।
তবে বিদেশে পড়তে চাইলে যে বিষয়গুলো থাকতে হবে তা হল জানার ও শেখার প্রচণ্ড আগ্রহ, লেগে থাকা। গুগলকে সঠিকভাবে ব্যাবহারের প্রক্রিয়া।
দেশের বাইরে উচশিক্ষার কথা চিন্তা করলেই চলে আসে – ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড এর মত দেশের কথা। এশিয়ার মধ্যে অনেকে জাপান, চীন বা দক্ষিণ কোরিয়া এসব দেশকেও রাখে তালিকায়। সাধারণত বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, মানে যেগুলোর উপর বিবেচনা করে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির সুযোগ ও ভিসা দেওয়া হয় তাদের মধ্যে অন্যতম একটি হল ভাষার যোগ্যতা। কিছু দেশ ছাড়া প্রায় সব দেশেই ইংরেজি মাধ্যমে ব্যাচেলর/মাস্টার্স/পিএইচডি/ডক্টরেট করার সুযোগ রয়েছে। অবশ্য ইউরোপের অনেক দেশ আছে যেখানে ব্যাচেলর লেভেলে খুবই কম ইংরেজি মাধ্যমের কোর্স অফার করে।



যাই হোক, ইংরেজি মাধ্যমে পড়তে চাইলে আপনার ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা থাকা আবশ্যক। বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি ভাষার দক্ষতার মাপকাঠি বিভিন্ন হয়। ইংরেজি ভাষা দক্ষতা যাচাইয়ের বেশ কয়েকটা আর্ন্তজাতিক মানদণ্ড যাচাই পরীক্ষা আছে যেমনঃ IELTS, TOEFL, TOEIC, PTE, BULATS, ESOL ইত্যাদি। এগুলো আবার বিশ্বের নানা প্রান্তে নানা ভাবে গৃহীত হয়। এখন অনেক কষ্ট করে,ধৈর্য্য এবং প্রস্তুতি নিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় মানদন্ডের পরীক্ষাটি দিলেন। কিন্তু ঝামেলা বাঁধে তখন যখন আবেদন করতে গিয়ে দেখেন আপনার দেওয়া পরীক্ষার ফলাফল অন্য ফরমেটে কনর্ভাট করতে বলা হচ্ছে বা অন্যভাবে জানতে চাওয়া হচ্ছে। যেমনঃ আপনার আছে IELTS সার্টিফিকেট, কিন্তু ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে লেখা আছে TOEFL এর স্কোর। ঠিক তখনই আমরা একটা ঝামেলায় পড়ি যে আমার স্কোর কি ইউনিভার্সিটির রিকোয়ারমেন্টের সমমান কি না বা আমি এই ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করতে পারব কি না ইত্যাদি। তাই, ভাষার এই বিভ্রান্তিকর অবস্থা থেকে মুক্ত পাওয়ার উপায় হিসেবেই আজকের লেখা। নিচে কিভাবে আপনার অর্জিত ইংরেজি ভাষা পরীক্ষার স্কোরকে অন্য ইংরেজি ভাষা পরীক্ষায় কনভার্ট করবেন সেটি দেখানো হল।

ইউরোপের দেশগুলোতে ইউনিভার্সিটিতে অ্যাপ্লাই করার সময় অনেক ইউনিভার্সিটি Common European Framework Of Reference(CEFR) এর ভিত্তিতে আবেদনকারীর ভাষাগত যোগ্যতা জানতে চেয়ে থাকেন। এখানে এসে অনেকই বুঝতে পারেন না তাদের IELTS, TOEFL স্কোর CEFR এর মাপকাঠিতে ঠিক কত হবে। তাদের সুবিধার্থে কয়েকটি ছবি ও শেষে একটি পিডিএফ ফাইল সংযুক্ত করা হল যেখান থেকে আপনারা সহজেই আপনাদের কাঙ্খিত স্কেলে ফলাফল তুলনা করে দেখতে পারবেন।
ডাউনলোড করুন – পিডিএফ ফাইলঃ https://www.cambridgeenglish.org/exams-and-tests/cefr/
ফেসবুক মন্তব্য
Print Friendly, PDF & Email
 
শেয়ার করুনঃ

Mahedi Hasan

স্বপ্নবাজ ও ভ্রমণপিপাসু একজন মানুষ। নতুন কিছু জানতে ও শিখতে ভালো লাগে। নিজে যা জানি তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করি। আমার সম্পর্কেঃ http://www.hmahedi.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *